ডোমেইন কি? জেনে নিন ডোমেইন সম্পর্কে A টু Z

ডোমেইন

ডোমেইন কি? ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ শুরু করতে আগ্রহী এমন প্রত্যেকেরই জন্য প্রশ্নটি স্বাভাবিক। যদিও ডোমেইনের সাথে ওয়েব হোস্টিং বিষয়টি ওতোপ্রতভাবে জড়িত। তবে ডোমেইন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার সুবিধার্থে আজকের পোস্টের মূল টপিক শুধু ডোমেইনকেই রাখা হয়েছে।

ডোমেইন এবং ক্লাউড হোস্টিং সার্ভিস প্রদানকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠান 24 Cloud Hosting -এর সৌজন্য রুপায়নের আজকের পোস্টে থাকছে ডোমেইন কি, ডোমেইন কিভাবে কাজ করে, ডোমেইন নাম পছন্দ করা এবং কেনার গাইডলাইনসহ প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি আরও অনেক তথ্য। তো চলুন শুরু করা যাক…

ডোমেইন কি?

ডোমেইন কি
ডোমেইন কি?

প্রথমেই ডোমেইনের শাব্দিক অর্থ নিয়ে বলা যাক। ক্যামব্রিজ ডিকশনারি অনুযায়ী ডোমেইন (Domain) মানে, “an area of interest or an area over which a person has control“। অর্থাৎ ডোমেইন একটি সুনির্দিষ্ট এলাকা হিসেবে বুঝায় যা মূলত একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। ডোমেইনের এরকম শাব্দিক অর্থ দিয়ে ডোমেইনকে বুঝানো কঠিন।

তাই এবার আসা যাক ডোমেইনের সহজ সরল অর্থে। আমরা জানি, ইন্টারনেট বা ওয়েব জগতটা বিশাল। এতোটাই বিশাল যে, সর্বশেষ ২০১৪ সালের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ওয়েব জগতের মোট ওয়েবসাইটের সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে। ওয়েব জগতকে যদি আমাদের বাস্তব জীবনের পৃথিবীটার সাথেই মিলিয়ে উদাহরণ দেই। সেক্ষেত্রে, ওয়েবসাইটগুলোকে বলা যাবে এক একেকটি দেশ। অর্থাৎ সব ওয়েবসাইটগুলো মিলেই গঠিত ওয়েবের জগতটা। আর এই সব ওয়েবসাইটগুলোকেই আমরা ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সহজেই দেখতে পারি। মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, এতো এতো ওয়েবসাইট কিভাবে এক মুহূর্তেই আমাদের কম্পিউটারের পর্দায় আমরা দেখতে পাই? খুব সহজে বলতে, প্রতিটি ওয়েবসাইটেরই নিজের একটি করে স্বতন্ত্র পরিচয় বা ঠিকানা আছে। আপনি যখন যে ওয়েবসাইটকে দেখতে চান। ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ওয়েব ব্রাউজার সেই ঠিকানাটিতে চলে যায় এবং আপনার পর্দায় সেটি প্রদর্শন করে। আর এই ঠিকানাটিকেই সহজ কথায় ডোমেইন বলা হয়। যেমনঃ www.rupayon.com একটি ডোমেইন। এই ডোমেইন ভিজিট করলে আপনি আমাদের রুপায়ন ওয়েবসাইটটি দেখতে পান।

ডোমেইন সম্পর্কে
ডোমেইন কি?

আমরা ডোমেইন নামগুলোর গঠন সাধারনত ইংরেজিতে দেখে থাকলেও। এর পেছনে আছে অন্য কাহিনী! যেমনটি ইতিমধ্যে বলেছি, ১০০ কোটি ওয়েবসাইটের মাঝে কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটি খুঁজে পাওয়ার জন্য প্রতিটি ওয়েবসাইটেরই আছে একটি করে ঠিকানা। সেই ঠিকানাগুলো মূলত 118.179.88.10 এরকম হয়ে থাকে। এগুলোকে আইপি অ্যাড্রেস বলা হয়ে থাকে। তাহলে একটিবার ভাবুন তো, কোটি কোটি ওয়েবসাইটের এরকম আইপি অ্যাড্রেস মনে রাখা সম্ভব কিনা? অবশ্যই অসম্ভব! আর তাই সেটিকে সম্ভব করতে আইপি অ্যাড্রেসগুলোকে মনে রাখার বদলে উদ্ভাবন হল ইংরেজি অক্ষরে মনে রাখার ব্যবস্থা। আর সেটিকে বলা হল ডোমেইন। অর্থাৎ, ওয়েবসাইটের ঠিকানাই হল ডোমেইন। এবার নিশ্চই ডোমেইনের অর্থ পানির মত পরিষ্কার!

ডোমেইন কিভাবে কাজ করে?

ডোমেইন কিভাবে কাজ করে
ডোমেইন কি এবং ডোমেইন কিভাবে কাজ করে?

ওয়েব ব্রাউজারে www.rupayon.com লিখে সার্চ দিলেন। আর তৎক্ষণাৎ আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিনে চলে এলো রুপায়ন ওয়েবসাইটটি। কত দ্রুত আর কত সহজ তাই না? হ্যাঁ, আমাদের চোখে এই কাজটি পানির মত সহজ আর দ্রুত গতির মনে হলেও। এর পেছনে ঘটে অনেক প্রসেসিং। আর সেটাও হয়ে থাকে সেকেন্ডেই! ডোমেইন নিয়ে যখন এভাবে গভীরভাবে চিন্তা করবেন। তখনই কৌতুহলী মন জানতে চাইবে, ডোমেইন কিভাবে কাজ করে?

ডোমেইন কাজ করে একটি নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের মধ্য দিয়ে। যাকে বলা হয় DNS বা ডোমেইন নেম সিস্টেম। মোবাইলে যেমন থাকে ফোনবুক। তেমনি ওয়েব জগতের ফোনবুক হল এই ডিএনএস। অর্থাৎ, কোটি কোটি ওয়েবসাইটের মধ্য থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটি খুঁজে বের করে দেখানোর কাজটিই করে ডোমেইন নেম সিস্টেম (DNS)। কিন্ত প্রশ্ন হল, সেই সিস্টেমটা কেমন কিংবা সেই প্রসেসের ধাপগুলো কি কি?

আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি, ওয়েবসাইটের ঠিকানা আমরা ইংরেজিতে বুঝে থাকলেও আমাদের কম্পিউটার/মোবাইল বা মেশিন কিন্ত সেটা বুঝেনা! মেশিন বুঝে শুধুই সংখ্যা! তাই, যখন আমরা ব্রাউজারে কোন একটি ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস বা ডোমেইন টাইপ করে ভিজিট করি। ডোমেইন নেম সিস্টেমের প্রথম কাজ হল সেটাকে অনুবাদ করা। আমাদের কাঙ্ক্ষিত ডোমেইন নেমটি আসলে কোন আইপি অ্যাড্রেস ধারন করছে তা মুহূর্তেই কনভার্ট করে ফেলে ব্রাউজার। এরপর ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে সেই আইপি অ্যাড্রেসের ওয়েবসাইটটিকে রিকোয়েস্ট করে পর্দায় প্রদর্শিত হওয়ার জন্য। কিন্ত সেই ওয়েবসাইটকে অনুরোধ করারও একটি ধাপ আছে। ব্রাউজার যখন কোন কাঙ্ক্ষিত আইপি অ্যাড্রেসকে খুঁজে বের করার রিকোয়েস্ট করে তখন সে প্রথমেই খুঁজে বের করে ঐ আইপি অ্যাড্রেসটি কোন হোস্টিং কোম্পানির নেম সার্ভারের আওতায় আছে। তারপর সেই সার্ভার থেকে ঐ আইপি অ্যাড্রেসের সাইটটি বের করে দেখানো হয় ব্রাউজারে। আর এত জটিল কাজটি চোখের পলকে করে থাকে ডোমেইন নেম সিস্টেম (DNS)।

ডোমেইনের গঠন এবং এক্সটেনশন

ডোমেইন
ডোমেইন কি? ডোমেইনের এক্সটেনশন গুলো কি কি?

একটি ডোমেইনের সাধারনত দুটি অংশ থাকে। প্রথমত, ডোমেইন নেম। দ্বিতীয়ত, ডোমেইন সাফিক্স। ডোমেইন সাফিক্স (Suffix) গুলো ডোমেইন এক্সটেনশন (Extension) হিসেবেও পরিচিত। যেমনঃ rupayon.com একটি ডোমেইন। এই ডোমেইনের rupayon শব্দটি হল ডোমেইন নেম। আর .com অংশটিই হল ডোমেইন সাফিক্স বা এক্সটেনশন।

যদিও ডোমেইনের আরও কিছু অংশ আছে। যেমনঃ https://www.rupayon.com হল ডোমেইন। এখানে https:// অংশটুকুকে প্রটোকল বলে। www. অংশটুকু হল হোস্টনেম। আর rupayon হল ডোমেইনের নাম এবং .com হল ডোমেইনটির এক্সটেনশন।

একটি ডোমেইনের এক্সটেনশন অনেকরকম হতে পারে। ওয়েবসাইটের ধরন অনুযায়ী এক্সটেনশন পছন্দ করা হয়ে থাকে সাধারনত। তেমন কিছু জনপ্রিয় ডোমেইন এক্সটেনশন উল্লেখ করা হল।

  • .com হচ্ছে ওয়েব জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল প্রচলিত ডোমেইন এক্সটেনশন। মূলত কোম্পানি ওয়েবসাইটের জন্য এই এক্সটেনশন। যদিও যেকোন সাধারন ওয়েবসাইটের জন্য মানুষের প্রথম পছন্দ এই .com ডোমেইন এক্সটেনশন।
  • .net আরেকটি জনপ্রিয় টপ লেভেল ডোমেইন এক্সটেনশন। মূলত, নেটওয়ার্কিং টেকনোলজি নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানের জন্য .net এক্সটেনশন বেশি গ্রহনযোগ্য। যেমনঃ ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানকারী কোম্পানির ওয়েবসাইটের জন্য .net ডোমেইন এক্সটেনশন সামঞ্জস্যপূর্ণ।
  • .org ডোমেইন মূলত সংগঠন বা অর্গানাইজেশন ওয়েবসাইটের জন্য বেশি পরিচিত।
  • .info সাধারনত তথ্য ভিত্তিক ওয়েবসাইটের ডোমেইন এক্সটেনশন নির্দেশ করে।
  • .me এক্সটেনশনটি প্রফেশনালদের ব্যক্তিগত বা পোর্টফলিও ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও অনলাইনে আছে আরও অনেক ডোমেইন এক্সটেনশন। যেগুলো আপনি নিতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটের ধরন অনুযায়ী। যেমনঃ .online, .guru, .shop, .xyz ইত্যাদি।

ডোমেইনের ধরন

ডোমেইনের ধরন
ডোমেইনের ধরন

ডোমেইনের গঠন এবং এক্সটেনশন ছাড়াও ডোমেইনের ধরন সম্পর্কেও জেনে রাখা উচিৎ। ধরনের দিক থেকে ডোমেইন বেশ কিছু নামে পরিচিত। যেমনঃ

  • TLD হল Top Level Domein। ওয়েব জগতের সকল ডোমেইনের মাঝে এই TLD ডোমেইনগুলোকে সবচেয়ে উঁচু স্তরের ডোমেইন হিসেবে ধরা হয়। .com, .net, .info, .org, .me, .gov .mil এই ডোমেইনগুলো TLD ডোমেইন হিসেবে বিবেচিত।
  • gTLD ডোমেইন বলতে সকল গ্লোবাল ডোমেইনগুলোকেই বুঝায়। .com.bd ডোমেইন যেমন বাংলাদেশী ডোমেইন নির্দেশ করে। অর্থাৎ এরকম ডোমেইন বাদে সকল ডোমেইনই হল gTLD। gTLD কোন নির্দিষ্ট দেশের ডোমেইনকে বুঝায় না।
  • ccTLD ডোমেইন এক ধরনের TLD। যার মানে হল Country Code Top Level Domain। মূলত কোন নির্দিষ্ট দেশের হয়ে থাকে। অর্থাৎ এই ডোমেইনগুলোও টপ লেভেল ডোমেইন হিসেবে পরিচিত হলেও এগুলো শুধু দেশ ভিত্তিক। যেমনঃ
  • .com.bd ডোমেইনটিতে .bd এক্সটেনশনটি যোগ হয়ে তা বাংলাদেশী ডোমেইনকে বুঝাচ্ছে। তেমনিভাবে .pk পাকিস্তানের, .in ইন্ডিয়ার, .us আমেরিকার।
  • SLD ডোমেইন সাধারনত ডোমেইনের নামটিকেই বুঝায়। যেমনঃ rupayon.com ডোমেইনটির এক্সটেনশনের পূর্বে rupayon নামটিকে SLD ডোমেইন বলা হয়। SLD মূলত ওয়েবসাইট/প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড নামকে নির্দেশ করে।

ডোমেইন নির্বাচনে যেসব বিষয় মাথায় রাখবেন

ডোমেইন পছন্দ করুন

ডোমেইন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা তো নেয়া হল। এবার ডোমেইন কেনার পালা! কিন্ত আপনি ডোমেইন হোস্টিং বিষয়ে যদি নতুন হয়ে থাকেন। তবে চটজলদি ডোমেইন কিনে ফেলা বোকামি হবে। ডোমেইন কেনার পূর্বে আপনার জেনে রাখা উচিৎ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আসুন জেনে নেই ডোমেইন নির্বাচনের কিছু টিপসঃ

  • .com ডোমেইনকে প্রাধান্য দিন যেকোন সাধারন ওয়েবসাইট বানাতে। তবে ওয়েবসাইটের ধরন ভেদে সামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোন ডোমেইন এক্সটেনশনও নির্বাচন করতে পারেন। যেমনঃ আপনি যদি সেচ্ছাসেবামূলক কোন সংগঠনের ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন নির্বাচন করতে চান। সেক্ষেত্রে .org ডোমেইন নেওয়া উচিৎ হবে।
  • সহজে টাইপ করা যায় বা মনে রাখা যায় সেরকম ডোমেইন নেম পছন্দ করুন। এতে ভিজিটররা বিভ্রান্ত হবেনা। এর ফলে আপনার ওয়েবসাইট সহজেই ভিজিট করতে পারবে।
  • ডোমেইন নাম যতদূর পারা যায় ছোট রাখুন। ছোট ডোমেইন নাম মনে রাখতে ভিজিটররা সাচ্ছন্দবোধ করে। আর ব্র্যান্ড নামগুলোও সাধারনত ছোটই হয়ে থাকে। ৮-১০ অক্ষরের মাঝে ডোমেইন নাম রাখার সর্বোচ্চ চেস্টা করুন। তবে ছোট-বড় যাই হোক না কেন, ডোমেইন নামে বিভ্রান্তিকর কিছু রাখবেন না।
  • অবাঞ্চিত কোন ক্যারেক্টার-হাইফেন এসব কিছুই রাখবেননা ডোমেইন নামে। এগুলো ভিজিটরের কাছে ডোমেইন নাম মনে রাখতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
  • প্রতিযোগী সাইটের সাথে নাম মিলিয়ে রাখতে চেস্টা করে অনেকেই। এটি থেকে বিরত থাকুন। বিভ্রান্ত করে ভিজিটর আনার এরকম কৌশল কখনই কাজে লাগেনা। বরং এ ধরনের কাজ আপনার সাইটের অথরিটি নস্ট করে।
  • ডোমেইন নামের পাশাপাশি এখন সেই নামে সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের ইউজারনেমের দিকেও খেয়াল রাখুন। ব্র্যান্ডিং তৈরি করতে ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • ভাল ডোমেইন নেম ফাঁকা পেলে দ্রুত কিনে ফেলতে দ্বিধাবোধ করবেন না। কারণ, ভাল ডোমেইন কেনার জন্য সারাবিশ্বে অনেকেই মুখিয়ে আছে। তাই, পছন্দের ডোমেইন নেমটি কিনে ফেলতে সময় নিলে সেটি পরে ফাঁকা পাবেন কিনা এমন গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবেনা।
  • ব্র্যান্ডিং নিয়ে আপনি যদি চিন্তিত থাকেন। তবে সামর্থ্য থাকলে আপনার কাঙ্ক্ষিত নামে .com, .net, .info এরকম কয়েকটি টপ লেভেল ডোমেইন একসাথে কিনে ফেলতে পারেন। এতে করে একই নামের অন্য এক্সটেনশন নিয়ে কোন কম্পিটিটর দাঁড়িয়ে গিয়ে আপনার ব্র্যান্ডিং নষ্ট করার সুযোগ পাবেনা।

কিভাবে ডোমেইন কিনবেন?

24cloudhosting

ডোমেইন কেনার জন্য দেশী-বিদেশী অসংখ্য প্রতিষ্ঠান আছে। তাই ডোমেইন কেনার পূর্বে ঠিক করুন আপনি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের কাছে কিনবেন নাকি আন্তর্জাতিক কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে কিনবেন। আপনার যদি মাস্টারকার্ড বা ইন্টারন্যাশনাল কোন পেমেন্ট মেথড থেকে থাকে তবে সেক্ষেত্রে GoDaddy, Namecheap, Bluehost সহ আরো অনেক জনপ্রিয় বিদেশী সাইট থেকে কিনুন। আর যদি বিকাশ, রকেটের মতো মোবাইল ব্যাংকিং দিয়ে সহজেই ডোমেইন কিনতে চান তবে সেক্ষেত্রে অনেক দেশীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে আপনার জন্য।

24 Cloud Hosting হচ্ছে তেমনই একটি ডোমেইন-হোস্টিং সেবা প্রদানকারী দেশীয় কোম্পানী। ফুল কন্ট্রোল প্যানেলসহ কম খরচে যেকোন ডোমেইন এবং ক্লাউড হোস্টিং সার্ভিস নিতে ভিজিট করুন 24cloudhosting.com অথবা কল করুন ০১৮১৯৬৬০২৯। এছাড়াও ডোমেইনের সাথে পাচ্ছেন এক বছরের এসএসএল সার্টিফিকেট একদম ফ্রি!

কেমন লাগলো ডোমেইন নিয়ে রুপায়নের আজকের আলোচনা পর্ব? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। পরবর্তী পর্বে থাকবে ওয়েব হোস্টিং আলোচনা। রুপায়নের সাথেই থাকুন…

2 Comments

  1. ডোমেইন ট্রান্সফার সম্পর্কে জানার জন্য বেশ কয়েকদিন চেষ্টা করছিলাম কিন্তু ভালো কোনো রিসোর্সে পাচ্ছিলাম না | এতো সুন্দরভাবে ডোমেইন ট্রান্সফার নিয়ে আলোচনার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ | পরবর্তীতে যদি সম্ভব হয় তাহলে DNS সম্পর্কে একটা আর্টিকেল দিয়েন |

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *